শূন্যরেখায় অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার আশ্বাস নেপিডোর ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায়ই তুমব্রু সীমান্তে সেনা টহল’

1520034957_11#মোঃ জামাল হোসাইন#

অভ্যন্তরীণ কাজে নিরাপত্তার প্রয়োজনে বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তের ওপারে রাখাইনে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে দাবি করে মিয়ানমার বলেছে, বাংলাদেশ তাদের লক্ষ্য নয়। শুক্রবার বিকেলে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির সঙ্গে পতাকা বৈঠকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির পক্ষ থেকে ওই দাবি করা হয়। এদিকে মিয়ানমার সীমান্তে সেনা মোতায়েন নিয়ে পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তুমব্রু সীমান্তের ওপারে বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের হঠাৎ শক্তি বৃদ্ধি এবং গুলির ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এবং শূন্যরেখায় অবস্থান নিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই পতাকা বৈঠকে অংশ নেয় দুই পক্ষ। এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুই উ-কে তলব করে সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ঘটানোর প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টার পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান। আর মিয়ানমারের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজিপির ব্যাটালিয়ন কমান্ডার সুচায়ে হু।

বৈঠক শেষে ফিরে এসে মঞ্জুরুল হাসান খান সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে মিয়ানমার দাবি করেছে, নিজেদের নিরাপত্তায় সীমান্ত অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে সেনা বা বিজিপি মোতায়েন করে তারা। তার অংশ হিসেবে ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টহলও দেয়া হয়। এটি সম্পূর্ণ মিয়ানমারের নিজস্ব নিরাপত্তার প্রয়োজনে।

এই বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সীমান্তে মিয়ানমারের দিক থেকে ফাঁকা গুলি ছোড়ার বিষয়ে বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষেত্রে বিজিবিকে অবহিত করতে বলা হয়। অবহিত করার বিষয়ে বিজিপি সম্মতি প্রকাশ করলেও ফাঁকা গুলি ছোড়ার কথা তারা অস্বীকার করে এবং শূন্যরেখায় আশ্রয় নিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে আবারও আশ্বস্ত করে বলে বিজিবি কমান্ডার জানান।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান সাংবাদিকদের বলেন, দু’পক্ষের মধ্যে বিদ্যমান বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুত ভাল কিছু হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শূন্যরেখা ক্রস করার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। আর যদি ঘটে তাহলে আমরা তা প্রতিহত করব। তাদের সীমানার ভেতরে কী করবে সেটা তাদের বিষয়।

লে. কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খান বলেন, তুমব্রু সীমান্তে নিজেদের অংশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বাড়তি সেনা মোতায়েন করেছিল বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। একই কারণে তারা সীমান্ত এলাকায় ফাঁকা গুলি চালিয়েছিল বলেও দাবি করেছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় ফাঁকা গুলির আগে বাংলাদেশকে অবহিত করা হবে বলে কথা দিয়েছে মিয়ানমার। আর মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশ বিজিবির কাছে প্রশ্ন করে, সীমান্তে বাংলাদেশ কেন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করছে। জবাবে আমরা জানাই, এটা মিয়ানমারকে টার্গেট করে করা হয়নি, আমাদের নিরাপত্তার জন্যই আমরা এটা করেছি।

মঞ্জুরুল আহসান খান বলেন, তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের যে কোন সময় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশ। তিনি জানান, সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। শূন্যরেখায় থাকা রোহিঙ্গারাও ভাল আছে।

রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে আসা প্রায় সাত হাজার রোহিঙ্গা তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই তাদের নানাভাবে হুমকিধমকি দিয়ে আসছে বলে বান্দরবানের স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি জানিয়েছে।

বিজিবি ও সীমান্তে বসবাসকারী লোকজন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাতটি ট্রাকে করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা তুমব্রু সীমান্তের ওপারে কাঁটাতারের বেড়ার কাছে অস্ত্রহাতে অবস্থান নেয়। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া বরাবর বাঙ্কারগুলোতেও অবস্থান নিয়েছে তারা। তাদের সঙ্গে বিজিপির সদস্যরাও পাহারা দিচ্ছে।

শূন্যরেখায় থাকা রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদ জানান, সকাল থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মর্টারসহ অন্যান্য অস্ত্রসহ অবস্থান নিয়েছে। তাই সকাল থেকে ১১ বার মাইকিং করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তারা শূন্যরেখা থেকে রোহিঙ্গাদের সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার ভোরে দু’দফা ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে বিজিপি।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুখপাত্র হিদার নেওয়ার্ট বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে প্রশ্নোত্তরকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, রাখাইন সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন নিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুই উ কে বৃহস্পতিবার তলব করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক পত্রও (নোট ভারবাল) তাকে দেয়া হয়। রাখাইন সীমান্তে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন নিয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে বলা হয়, এটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য ভাল নয়। এ সময় তাকে একটি নোট ভারবাল বা আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক পত্র দেয়া হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখা হচ্ছে না বলে জানানো হয়।

এদিকে চট্টগ্রাম থেকে হাসান নাসির/এইচ এম এরশাদ জানান, সীমান্তে মিয়ানমার বাহিনীর শক্তি সমাবেশ এবং টহল বেড়ে যাওয়ায় সতর্কতা বাড়িয়েছে বিজিবিও। অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন না করলেও নজরদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পয়েন্টে শুক্রবার স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এর মাধ্যমে ওপারের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে অনেকটাই ঢিলেঢালা। সীমান্তের সমান্তরালে মিয়ানমারের সড়ক থাকলেও বাংলাদেশের নেই। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীদের দায়িত্ব পালন করতে হয় হেঁটে। কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যবেক্ষণেও লেগে যায় অনেক সময়। অপরদিকে, মিয়ানমার অভ্যন্তরে সড়ক থাকায় তারা যানবাহন নিয়ে ছোটাছুটি করতে পারছে। এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের বিজিবির সিসি ক্যামেরাও ছিল না।

শুক্রবার সকালে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান, লামা উপজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুস সালাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সরোয়ার কামালসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। বিজিবির অধিনায়ক জানান, অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা না হলেও বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে। উভয় দেশের সতর্কতার বিষয়টির জন্য তিনি স্থানীয়দের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দেন।

আরসার হামলা ঠেকাতে শক্তি বৃদ্ধি ॥ বার্তা সংস্থা এপির বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, মিয়ানমার সরকার দাবি করেছে, সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্য আতঙ্ক সৃষ্টি বা নো ম্যানসল্যান্ডের রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়া নয়। দেশটির সরকারের মুখপাত্র ঝাও টাই বলেছেন, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে যে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে কিছু সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। তারা যে কোন সময় সীমান্তে তাদের বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালাতে পারে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটানো কিংবা উত্তেজনা বৃদ্ধি আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা আরসার সন্ত্রাসীদের সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করার পরিকল্পনায় রয়েছি, যারা সীমান্তের বাংলাদেশ অভ্যন্তরে একটি গ্রামে অবস্থান করছে। ঝাও টাই আরও বলেন, এটা মোটেও নো ম্যানসল্যান্ডে আটকা পড়াদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়া কিংবা তাদের ওপর আক্রমণ বা ভয়ভীতি নয়। এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সন্ত্রাসী গ্রুপের আক্রমণ প্রতিহত করতে।

প্রত্যাবাসনে অনিশ্চয়তা বাড়ছে ॥ সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি বজায় থাকলে নো ম্যানসল্যান্ডে যে রোহিঙ্গারা আছে, তারা মিয়ানমারে ফেরত যেতে আগ্রহী হবে না এবং রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়াটি অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা কাঁটাতারের বেড়ার কাছে এসে ফাঁকা গুলি চালায়। এতে আতঙ্কিত কিছু রোহিঙ্গা পরিবার জিরো লাইন ছেড়ে বাংলাদেশের ভূখ-ে ও স্থানীয়দের বসতবাড়িতে আশ্রয় নেয়।

ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী গুলিবর্ষণ করলে কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলে আসে। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। ভোরে তারা জিরো পয়েন্টে তাদের তাঁবুতে ফিরে গেছে। বাংলাদেশ ভূখ-ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৭টি ট্রাকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা তুমব্রু সীমান্তের ওপারে কাঁটাতারের বেড়ার কাছে অস্ত্র নিয়ে অবস্থান এমনকি সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া বরাবর বাঙ্কারগুলোতেও অবস্থান নেয়। মই দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করে নো ম্যানসল্যান্ডে প্রবেশের চেষ্টাও করেছিল। এ সময় রোহিঙ্গাদের হৈচৈয়ে তারা ফাঁকা গুলি করে চলে যায়।

বাংলাদেশের তরফ থেকে ২৩ফেব্রুয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর আশা করা হলেও মিয়ানমারের নানা রকম শর্তের মুখে তা শুরু করা যায়নি। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের পরিবারভিত্তিক তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে থামছে না রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ। বিভিন্ন সূত্র মতে, প্রত্যাবাসন চুক্তির পরও ৭০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে।

প্রত্যাবাসনে আগ্রহী আরও এক রোহিঙ্গা হত্যা ॥ উখিয়ার কুতুপালংয়ে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবু তাহের নামে এক রোহিঙ্গা যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রোহিঙ্গা কুতুপালং ক্যাম্পের ৩ নম্বর ব্লকে আশ্রিত আবু হাশেমের পুত্র। শুক্রবার ভোরে স্থানীয়রা ওই ব্লকের অদূরে লাশ দেখতে পায়। পরে উখিয়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। জানা গেছে, আবু তাহের প্রত্যাবাসনে রাজি ছিল। এ খবর জানতে পেরে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, ডাকাতের প্রহারে সে মারা গেছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, দু’পক্ষের মধ্যে মারামারিতে ওই যুবক মারা গেছে। উখিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন, রোহিঙ্গাদের দু’পক্ষের মধ্যে মারামারিতে ওই যুবক মারা গেছে। এ ঘটনায় নয় রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দুই মাসে প্রত্যাবাসনে আগ্রহী চার রোহিঙ্গাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা।

 

 এই রিপোর্ট পড়েছেন  215 - জন
 রিপোর্ট »শনিবার, ৩ মার্চ , ২০১৮. সময়-৯:৪২ am | বাংলা- 19 Falgun 1424
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!

Leave a Reply

4 + 9 =  

Chief Editor : Ln. Advocate Ferdaus Ahmed Asief  » E-mail :japaeditor82@gmail.com, abbokul@yahoo.com  » Mobile: 01765-375401, 01716-186230, Copyright © 2011 » All rights reserved.
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP
☼ Provided By  websbd.net  » System   Designed by HELAL .